
শীতের সকাল ভারী মধুর
শীতভারী যে মিষ্টির,
চাদর- কাঁথায় ঢেকে করে
উনুনের কাছে ভির।
শীতের সময় ভালো লাগে
পুরি- পিঠে খেতে,
তাই গুরুজন মানা করে
স্কুলেতে যেতে।
শীতের সময় ঠাণ্ডাতে যে
শরীর করে কনকন,
শীতের দিনে কেউ কেউ আবার
করে নাতো স্নান।।
---------কাজেম সেখ
০১/০১/২০০৯
সং ক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করলাম
গ্রামের পরিবেশে শীত ঋতু একটা দারুন প্রভাব ফেলে। যদিও এটা বলা ঠিক না যে, শীত ঋতু গোটা বিশ্বেও প্রভাব বিস্তার করে, তাতে সেটা শুধু আবহাওয়াতেই নয়, মানুষের জীবন যাপন, ব্যাবসা বাণিজ্য, কর্মক্ষেত্র, ভ্রমণ, উৎসব প্রভৃতি ক্ষেত্রে। তবুও এটা মানতেই হবে গ্রামের পরিবেশকে ও শীত বেশি বেশি হারে প্রভাবিত করে, যারা গ্রামে বাস করে এই বিষয়টা তাদের কাছে খুব গভীর।
শীত কালে সকাল থেকে শুরু করে রাত, আবার রাত থেকে শুরু করে সকাল, সব সময় একটা মন মুগ্ধ করার মতো অবস্থা থাকে। ফলে সকল কাজ যেন খুব মজার সাথে শুরু ও শেষ করা যায়।
শীতের সকালে ঘুম থেকে উঠেই একটা ঠান্ডা ঠান্ডা মেজাজ থাকে, যেন মনে হয় লেপ ছেড়ে না উঠি। যদিও বা উঠার চেষ্টা করি বারবার অনিচ্ছা টাই চলে আসে। তারপর কাপতে কাপতে উঠতে হয় নিজের নিজের কাজে বেরোনোর জন্য। যদিও সেই সময় কাজ খুব একটা বেশি থাকে না , থাকলেও পরে করবো মনে ভেবে থাকি। গরম কাপড় , হাতে মোজা পায়ে মোজা, মাথায় একটা তুলোর টুপি পরে আগুনের পাশে আগেই দাড়াতে হয়,একটু আরাম অনুভব করার জন্য। এই সময় একটা খাবার খুব প্রচলন থাকে, পুরি আর পিঠে। গ্রামের মানুষদের এই খবর না খেলে পুরো শীত টাই যেন কেমন ফিকে ফিকে লাগে। এই সময় যদিও অনেকেই খুব একটা বিদ্যালয় যেতে চাই না, তবে বাধ্য হয়ে যায়। শীতের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে গিয়ে আমরা লেপের ভিতর গেলেও শরীর টা ঠান্ডায় কনকন করে । তবে একটা মজার বিষয় কি জানেন, শীতের সময় অনেকেই আবার স্নান করতে ভয় পাই। যদিও গুরুজনদের বকা খেয়ে কাপতে কাপতে স্নান করতেই হয়।
তবে যায় হোক, শীতের সময় অনেকেই আবার অনেক বেশি বেশি আনন্দ ও মজা করে। এই সময় টাকে খুব মজার সাথে কাটাতে চাই।
আমার লেখা আপনাকে কেমন লাগলো অবশ্যই জানাবেন। আর আমাদের
Studycare0365 চ্যানেল টি subscribe করতে ভুলবেন না ।
www.studycare0365.blogspot.com
Tags
আমার কবিতা
