Showing posts with label OTHER'S. Show all posts
Showing posts with label OTHER'S. Show all posts

প্রফেসর শঙ্কুর আশ্চর্য আবিষ্কারগুলো / professor shanku/ shanku / diary

 প্রফেসর শঙ্কুর আশ্চর্য আবিষ্কারগুলো



সত্যজিৎ রায়ের অন্যতম সেরা সৃষ্টি প্রফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু। বিজ্ঞানী, উদ্ভাবক, অভিযাত্রী, গবেষক– কী নন তিনি! টমাস আলভা এডিসন এবং নিকোলা টেসলার বাঙালি ভার্সন।


তিনি ৬৯টি ভাষায় পারঙ্গম, ৭২টি আবিষ্কারের আবিষ্কর্তা, হায়ারোগ্লিফিক পড়ার ক্ষমতাসম্পন্ন, মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পার দুর্বোধ্য লিপির পাঠোদ্ধারকারী।


সত্যজিৎ রায় কাল্পনিক এই প্রতিভাবান বাঙালি বিজ্ঞানীকে নিয়ে ৩৮টি ছোট-বড় গল্প লিখেছেন। ফেলুদার তুলনায় খ্যাতি একটু কম হলেও শঙ্কুকে অগ্রাহ্য করা এক কথায় অসম্ভব। 


১৯৬১ সালে সত্যজিতের চল্লিশতম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত হয় তার পারিবারিক পত্রিকা ‘সন্দেশ’ এর তৃতীয় সংস্করণ। সন্দেশ এর পাতা ভরানোর উদ্দেশ্যেই সত্যজিৎ রায় প্রফেসর শঙ্কুকে সৃষ্টি করেন।


১৯৯০ সালে পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলায় প্রকাশিত ‘স্বর্ণপর্ণী’ গল্পে শঙ্কুর যে আত্মজীবন কথা আছে, সেই অনুসারে হিসেব করলে দেখা যাবে তিনি ১৯১১-১২ সাল নাগাদ জন্মেছিলেন। 


এদিকে আবার ১৯১২ সালেই প্রকাশিত হয়েছিল আর্থার কোনান ডয়েলের ‘দ্য লস্ট ওয়ার্ল্ড’ – প্রোফেসর চ্যালেঞ্জারের এক আশ্চর্য রোমহর্ষক অভিযান কাহিনি। কালস্রোতে হারিয়ে যাওয়া এক আদিম পৃথিবী দেখে এসেছিলেন প্রোফেসর চ্যালেঞ্জার। 


নিজের লেখা বাংলা গল্পের ইংরেজিতে অনুদিত বইয়ের ভূমিকায় ১৯৮৭ সালে সত্যজিৎ রায় লিখেছিলেন, শঙ্কু আসলে ‘mild-mannered version of Professor Challenger’।



তদানীন্তন বিহারের (অধুনা ঝাড়খণ্ড) গিরিডিতে প্রফেসর শঙ্কু স্থায়ীভাবে বাস করতেন। পিতা শ্রী ত্রিপুরেশ্বর শঙ্কু পেশায় ছিলেন একজন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক। গিরিডিতে জনপ্রিয় এই চিকিৎসক গরীব-অভাবীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিতেন।


প্রফেসর শঙ্কু গিরিডির এক স্কুল থেকে মাত্র ১২ বছর বয়সে ম্যাট্রিক, ১৪-তে কলকাতার কলেজ থেকে আইএসসি এবং ১৬ বছর বয়সেই ফিজিক্স ও কেমিস্ট্রিতে ডবল অনার্সসহ বিএসসি পাশ করেন।


বিএসসি পাশের পর পিতার ইচ্ছায় বছর চারেক বেদ, উপনিষদ, আয়ুর্বেদ সহ বিভিন্ন সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেন। তারপর মাত্র ২০ বছর বয়সেই কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন।


শঙ্কু চিরকুমার। তাঁর সর্বক্ষণের সঙ্গী নিউটন নামের পোষা বেড়াল ও কাজের লোক প্রহ্লাদ। প্রতিবেশী বিজ্ঞান-বিমুখ অবিনাশবাবু। কিন্তু বিজ্ঞান বিমুখ হলে কী হবে, কখনও কখনও সেও হয়ে যায় প্রফেসর শঙ্কুর অভিযানের সঙ্গী। প্রফেসরের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের তালিকায় রয়েছেন জার্মান বিজ্ঞানী উইলহেলম ক্রোল, ইংরেজ বিজ্ঞানী সণ্ডার্স ও অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার অধিকারী নকুড়বাবু।


 শঙ্কুর প্রথম গল্প ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ তে শঙ্কুও বেশ বদরাগী ও প্রতিহিংসাপরায়ণ। চাকর প্রহ্লাদের সামান্য ভুলে, রেগেমেগে নিজের আবিষ্কৃত স্নাফ-গান বা নস্যাস্ত্র প্রহ্লাদের গোঁফের কাছে প্রয়োগ করেছিলেন শঙ্কু! 


শঙ্কু একজন আবিষ্কর্তা, একজন ইনভেন্টর। প্রফেসর শঙ্কুর মোট ৭২টি আবিষ্কারের কথা জানা যায়। এই তালিকায় রয়েছে নানা আজব বস্তু। এই সব আবিষ্কার ও তাদের নামকরণের ক্ষেত্রে সত্যজিৎ রায়ের ভাষাপ্রীতি ও কৌতুকবোধের পরিচয় পাওয়া যায়।


কী কী আছে এই তালিকায়! দেখে নেওয়া যাক।


১. মিরাকিউরলঃ স্বর্ণপর্ণী নামে এক গাছড়ার পাতা থেকে তৈরি সর্বরোগহর বড়ি। মড়া মানুষ বাঁচানো ছাড়া আর সব অসুখেরই সমাধান এই বড়িতে। এর কৃতিত্ব অবশ্য শঙ্কু নিজে নিতে রাজি নন। কারণ, এই গাছড়ার সন্ধান দিয়েছিলেন এক সাধুবাবা।


২. অ্যানাইহিলিনঃ চার ইঞ্চি লম্বা আশ্চর্য পিস্তল। শত্রুর দিকে তাক ঘোড়া টিপলেই দুষ্টু লোক ভ্যানিশ।


৩. সমনোলিনঃ ঘুমের ওষুধ। একবার খেলেই ১০ মিনিটের মধ্যে নাকডাকা ঠেকায় কে?


৪. রিমেমব্রেনঃ লুপ্ত স্মৃতি ফিরিয়ে আনার যন্ত্র। পরীক্ষার হলে একবার কাছে পেলে মন্দ হতো না।


৫. ল্যুমিনিম্যাক্সঃ জোরাল আলোর ল্যাম্প। ব্যাটারি বা বিদ্যুৎ ছাড়াই দিব্যি চলে।


৬. শ্যাঙ্কোপ্লাস্টঃ এটা যে ঠিক কী, সেটা শঙ্কু নিজে বলে যাননি। তাঁর শেষ গল্প ডেক্সেল আইল্যান্ডের ঘটনায় এই জিনিসটির নাম শোনা যায়। তবে সে গল্প অসমাপ্ত।


৭. ইনটেলেক্ট্রনঃ বুদ্ধিমত্তা মাপার যন্ত্র।


৮. স্নাফ গান (নস্যাস্ত্র): শঙ্কুর তৈরি বন্দুক। রক্তপাত ঘটায় না, প্রাণেও মারে না। শুধু একটানা দু’দিন নাগাড়ে হাঁচি হতে থাকে। ‘গান্ধীবাদী অস্ত্র’ বলা যায়।


৯. বিধুশেখরঃ রোবট অত্যাধুনিক রোবট। শঙ্কুর বিপদে কারও নির্দেশ ছাড়াই ‘অ্যাকশন’-এ নামতে পারে। বিধুশেখর সাধু ও চলিত বাংলায় কথা বলতে পারে। আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্সের ধারণার হাতে-কলমে ব্যবহার।


১০. ভয়ের স্বপ্ন দেখার ট্যাবলেটঃ আইডিয়া এসেছিল মহাভারতের ‘‌জৃম্ভণাস্ত্র’‌ দেখে। খেয়ে ঘুমালে এমন ভয়ের স্বপ্ন আসবে, যে চুল-দাড়ি পেকে যাবে একরাতেই।


১১. ফিশ-পিলঃ মাছের বিকল্প বড়ি। নিউটনের খাদ্য। এমনই স্বাদ যে, একবার খেলে পরের বার মাছ ফেলে বড়িই বেছে নিতে বাধ্য মার্জারকুল।


১২. বটিকা-ইন্ডিয়াঃ বটফলের রস থেকে তৈরি খিদে-তৃষ্ণানাশক ওষুধ। এক ট্যাবলেটে দামোদর শেঠরা পর্যন্ত তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলবেন।


১৩. নতুন ধরনের কাগজ-কালিঃ ‘‌ব্যোমযাত্রীর ডাইরি’‌ অর্থাৎ, শঙ্কুর প্রথম গল্পে এই ধরনের ডাইরির উল্লেখ মেলে। শঙ্কু এই ডাইরি এবং কালিতেই লিখতেন। সেটা যে তাঁরই আবিষ্কার করা, সেটা কোথাও বলা নেই। তবে যে ডাইরি আগুনে পোড়ে না, তবে পিঁপড়ে খেয়ে ফেলতে পারে, আবার কালির রং ঘনঘন বদলায়— এমন ডাইরি শঙ্কু ছাড়া আর কে বানাতে পারেন?‌


১৪. সুগন্ধীঃ ছত্রিশ রকমের ফুলের নির্যাস মিশিয়ে তৈরি। ঘরে ছেটালেই মেজাজ ফুরফুরে।


১৫. অদৃশ্য হওয়ার ওষুধঃ উপাদান বলতে, ‌এক্সট্র্যাক্ট অফ গরগনাসস, প্যারানইয়াম পোটেনটেট। সোডিয়াম বাই কার্বনেট, বাবুইয়ের ডিম, গাঁদালের রস, টিঞ্চার আয়োডিন।


১৬. কার্বোথিনের গেঞ্জিঃ জামার নীচে পরে থাকলে শক লাগে না।


১৭. মাইক্রোসোনোগ্রাফঃ মানুষের কানে পৌঁছোয়ে না যে সব সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম শব্দ, সেগুলো শোনা যায় এর দৌলতে। এমনকি পিঁপড়ের ডাক পর্যন্ত।


১৮. এয়ার কন্ডিশনিং পিলঃ গরমে শীত আর শীতে ঠান্ডা লাগে এই ট্যাবলেট পকেটে বা জিভের তলায় রাখলে।


১৯. ইলেকট্রিক পিস্তলঃ ৪০০ ভোল্টের শক। অবশ্য কার্বোথিনের গেঞ্জি পড়ে থাকলে এই পিস্তল কাবু করতে পারবে কি না , সেকথা শঙ্কু বলে যাননি।


২০. পোলার রিপলেয়ন থিয়োরিঃ জিনিসটা কী, খায় না মাথায় দেয়, সেটা লেখা নেই কোত্থাও। নিশ্চয় জটিল কিছু হবে। উল্লেখ পাওয়া যায় ‘শঙ্কু ও খোকা’ গল্পে।


২১. নিওস্পেক্ট্রোস্কোপঃ ভূত দেখার যন্ত্র। সঙ্গে ভূতের সঙ্গে কথাবার্তার সুযোগ ফ্রি।


২২. রোবুঃ অত্যাধুনিক সর্বজ্ঞ রোবট। বানাতে খরচ পড়েছিল ৩৩৩ টাকা সাড়ে সাত আনা মাত্র।


২৩. লিঙ্গুয়াগ্রাফঃ এই যন্ত্রে কোনও ভাষার কথা রেকর্ড হয়ে তিন মিনিটের মধ্যে অনুবাদ হয়ে যায়।


২৪. অ্যানাস্থিসিয়ামঃ নয়া কিসিমের বন্দুক। ট্রিগার টিপলেই সামনের শত্রু কয়েক ঘণ্টার জন্য অজ্ঞান।


২৫. ক্যামেরাপিডঃ এতে রঙিন ছবি তোলা হয়ে ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে বেড়িয়ে আসে প্রিন্ট আউট। যখন এই ক্যামেরার কথা লিখেছেন শঙ্কু, তখনও কিন্তু পোলারয়েড ক্যামেরা আবিষ্কার হয়নি।


২৬. ঘ্রাণশক্তি বাড়ানোর ইঞ্জেকশনঃ নামকরণ করে যাননি শঙ্কু।


২৭. শ্যাঙ্কোভাইটঃ মাধ্যাকর্ষণ বিরোধী ধাতু। শূন্যে দিব্যি ভেসে থাকতে পারে।


২৮. শ্যাঙ্কোপ্লেনঃ শ্যাঙ্কোভাইট দিয়ে তৈরি বিমান।


২৯. টার্বোলিনঃ শ্যাঙ্কোভাইটের জ্বালানি। গন্ধ চন্দন কাঠের মতো। যে হারে দাম বাড়ছে পেট্রোল –ডিজেলের, তাতে পরখ করে দেখা যেতেই পারে।


৩০. তৃষ্ণাশকঃ তেষ্টা মেটানোর বড়ি।


৩১. কফি পিল, টি-পিলঃ কফি এবং চায়ের বিকল্প বড়ি। কাপ হাতে সুড়ুত শব্দে চুমুকের মজাটা হবে না হয়তো, তবু ঠেলায় পড়লে চায়ের অভাবে মন্দ কী?


৩২. ল্যাবরেটরিতে কৃত্রিম প্রাণঃ সঙ্গী ছিলেন বৈজ্ঞানিক হামবোল্ট।


৩৩. অরনিথিনঃ পাখিদের শেখানোর যন্ত্র।


৩৪. অক্সিমোর পাউডারঃ পাহাড়ে উঠতে অক্সিজেনের অভাবে যাতে কারও কষ্ট না হয় তাঁর দাওয়াই।


৩৫. কম্পুঃ কথা বলার কম্পিউটার। বানাতে শঙ্কুর সাথে হাত লাগিয়েছেন দেশ বিদেশের নানা বৈজ্ঞানিক।


৩৬. সেরিব্রিলান্ট, নার্ভিগারঃ নার্ভ চাঙ্গা রাখার ওষুধ।


৩৭. এভিলিউটনঃ মানুষকে বিবর্তনের ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যায়।


৩৮. কম্পুডিয়ামঃ প্রেতাত্মা নামানোর যন্ত্র।


৩৯. এক্স এবং অ্যান্টি এক্সঃ সুস্থ মানুষকে কয়েক মিনিটের মধ্যে হিংস্র দানবে পরিণত করে এক্স। অ্যান্টি-এক্স দিয়ে ফের তাকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়।


৪০. মার্জারিনঃ বিড়ালের আয়ু বাড়ানোর ওষুধ। যা খেয়ে নিউটনের আয়ু হয়েছে স্বাভাবিকের থেকে অনেক বেশি।


‘স্বর্ণপর্ণী’ গল্পে শঙ্কু ডায়রিতে লিখেছেন, ‘বৃদ্ধ নিউটন আমার পায়ের পাশে কুন্ডলী পাকিয়ে বসে ঘুমোচ্ছে। ওর বয়স হল চব্বিশ। বেড়াল সাধারণত চোদ্দো-পনেরো বছর বাঁচে; যদিও কোনও কোনও ক্ষেত্রে বিশ বছর বেঁচেছে এমনও শোনা গেছে। নিউটন যে এত বছর বেঁচে আছে তার কারণ হল আমার তৈরি ওষুধ মার্জারিন।’


প্রফেসর শঙ্কুর অভ্যাস ছিল ডায়েরি লেখা। ১৯৯২ সালে পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলায় তাঁর শেষ দুটি অসমাপ্ত ডায়রি ‘ইন্টেলেকট্রন’ ও ‘ড্রেক্সেল আইল্যান্ডের ঘটনা’ প্রকাশিত হয়েছিল। তারপর থেকে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।


প্রশ্ন হল, প্রফেসর শঙ্কু আজ কোথায়? ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ গল্পটি পড়ে জানা যায়, তিনি বহু বছর ধরে নিরুদ্দেশ। কেউ কেউ আবার বলেন, কী এক ভীষণ এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।


আবার এও শোনা যায়, তিনি আসলে বেঁচে আছেন বহাল তবিয়তে। ভারতবর্ষের কোনও এক অজ্ঞাত অখ্যাত অঞ্চলে গা ঢাকা দিয়ে চুপচাপ নিজের কাজকর্ম করে চলেছেন। সময় হলেই নাকি আত্মপ্রকাশ করবেন।

অভিভাবক সভায় শিক্ষকের বক্তব্য gaurdian meeting speech / best speech for meeting/ best speech for you #speech

 অভিভাবক সভায় শিক্ষকের বক্তব্য:-


অভিভাবক সভায় শিক্ষকের বক্তব্য:- #speech
১) ভূমিকা 🔴
“আজকের অভিভাবক সভায় উপস্থিত আছেন  বিদ্যালয়ের সম্মানিত সভাপতি সাহেব, আরো উপস্থিত আছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ সহকারী শিক্ষক শিক্ষিকা গণ। এছাড়াও এখানে উপস্থিত আছেন আমাদের প্রায় সকল শিক্ষার্থীদের অভিভাবক অভিভাবিকা। সকলের প্রতি রইল আমার আন্তরিক সালাম আসসালামু আলাইকুম। অন্যান্য ধর্ম ও জাতির প্রতি রইল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

২) সভার কারন 🔴
আপনারা সবাই অবগত আছেন প্রত্যেক বছর  আমরা আমাদের বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে এবং  ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকাদের শিক্ষণ প্রক্রিয়ার ভালো মন্দ বিচার, শিক্ষায়  উন্নতি সাধন করতে, সর্বোপরি আর কি কি বিষয় সংযোজন বা বিয়োজন করা যায়, সেই সকল বিষয়ে  অভিভাবকদের মতামত দেওয়া ও নেওয়ার উদ্দেশ্যে এই  অভিভাবক সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের দিনে এই ঐতিহাসিক অভিভাবক সভার আয়োজন করা হয়েছে। আপনাদের সকল ব্যস্ততার মধ্যে আমাদের এই অভিভাবক সভায় অংশগ্রহণ করেছেন তার জন্য আপনাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।

৩) সভার বিষয় 🔴
আমি আপনাদের মধ্যে আজকের সভার কিছু বিশেষ বিশেষ দিক নিয়ে আলোচনা করে  আমি আমার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষ করব।

একজন শিক্ষার্থী কে  ভালোভাবে গড়ে তোলার জন্য তিনটি দিক বা বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ । আর সেগুলি হলো ----
১) বিদ্যালয়,
২) শিক্ষক ও
৩) অভিভাবক ।

১) বিদ্যালয়:-
একজন শিক্ষার্থী কে শিক্ষিত করে তোলার জন্য শুধু বই আর বই চাপিয়ে দিলে হবে না। তার জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত পরিকাঠামো যুক্ত, শিক্ষা গ্রহণের যুগ উপয়োগী একটা বিদ্যালয়। যেখানে ছাত্র ছাত্রীরা মুক্ত পরিবেশে স্বাধীন ভাবে শিক্ষা গ্রহনের পাশাপাশি নিজের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ ঘটাতে পারবে। আপনারা সেটা দেখতেই পাচ্ছেন ।

২) শিক্ষক:-
একজন শিক্ষর্থীর সফলতার পিছনে শিক্ষক শিক্ষিকার ভূমিকা অপরিসীম। শিক্ষা দানের মুল চাবি একজন শিক্ষক বা শিক্ষিকা। তিনি তার কঠোর পরিশ্রম করে অর্জিত জ্ঞান ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করেন, পড়া শুনার পাশাপাশি বিতরণ করে থাকেন শিক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য ও অভিজ্ঞতা, যা এক জন ছাত্ৰ বা ছাত্রীর মেধার বিকাশে সাহায্য করে। ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি । তিনারা আপনাদের সামনেই উপস্থিত।


৩) অভিভাবক:-
বিদ্যালয় ঠিক ঠাক আছে, শিক্ষক শিক্ষিকা ও ঠিক ঠাক আছে। সব কিছুই চাঙ্গাসী। কিন্তু কিন্তু অভিভাবক? ?? এটাও কিন্তু শিক্ষার একটা অঙ্গ, শুধু অঙ্গ বললে ভুল হবে, প্রধান অঙ্গ। তাহলে প্রধান অঙ্গ যদি ঠিক ঠাক না কাজ করে তবে কিভাবে আমি বা আমরা কোন কাজ সম্পূর্ন করবো ??  তাই অভিভাবকদের বলবো আপনারা সজাগ থাকুন।

৪) অভিভাবক ও শিক্ষকের মিল 🔴
আপনি একজন অভিভাবক হিসেবে সন্তানের যথাযথ পড়াশোনার বিষয়ে  সিরিয়াস। কিন্তু বিদ্যালয় বা শিক্ষক এ বিষয়ে সিরিয়াস না। তাহলে কিন্তু সেই শিক্ষার্থী কখনো ভালো ছাত্র হতে পারবে না।

আবার দেখা যায় শিক্ষার্থীর পড়াশোনার বিষয়ে শিক্ষক যদি সিরিয়াস হয়। তাহলে অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবক সিরিয়াস হয় না। সেক্ষেত্রেও কিন্তু একজন শিক্ষার্থী ভালো স্টুডেন্ট হতে পারবেনা। এই কারণে শিক্ষক ও অভিভাবকের দুজনকেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে। 


৫) সময় :- 🔴
আমরা শুধু একজন শিক্ষার্থীকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে কম বেশি ৭ থেকে ৮ ঘন্টা দেখাশোনা করতে পারি। কিন্তু বাকি ১৬ - ১৭  ঘন্টা কিন্তু সে বাড়িতেই থাকে। এই কারণে বিদ্যালয়ের চেয়ে শিক্ষার্থী বাড়িতে কিন্তু বেশি সময় পাচ্ছে। তাই শিক্ষার্থীকে বাড়িতে পড়ার বিষয়ে প্রত্যেক অভিভাবককে জোরদার চাপ দিতে হবে। এখন ধরুন আমি বিদ্যালয়ে  সকল পড়া ঠিকঠাক ভাবে দিয়ে দিলাম। কিন্তু বাড়িতে গিয়ে সে খেলাধুলা, টিভি দেখা ও মোবাইল ফোন  ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো। তাহলে কখনোই সেই শিক্ষার্থী সফল হতে পারবে না।

৬) বর্তমানের সাথে মিল 🔴
বর্তমান সময়ের  কোন অভিভাবক আপনার সন্তানের হাতে কখনই স্মার্টফোন দিবেন না। কারণ এখন প্রায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী মোবাইল গেমে আসক্ত থাকে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে , ঘন্টার পর ঘন্টা গেম খেলার পর, তারা পড়া করার সময় পাইনা, ফলে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকে। বিশেষ করে ছেলেদের মধ্যে গেম খেলার আসক্তি অনেক বেশি থাকে। এই কারণে যে সকল অভিভাবক আপনার সন্তানকে স্মার্ট ফোন  দিয়েছেন, উনাদের বলবো আজকে বাড়িতে গিয়ে স্মার্ট ফোন আপনার কাছে নিয়ে নেবেন। তাহলেই তার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হতে পারে। আর যদি স্মার্টফোন আপনার সন্তানের কাছে রেখে দেন। তাহলে তার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত অন্ধকার।

৭) অভিভোবকদের পরামর্শ প্রদান 🔴
ক) প্রত্যেক অভিভাবক কে বলব আপনার সন্তানকে সময় দিন। দেখা যায় এমন অনেক অভিভাবক আছে অভিভাবক সভায় উপস্থিত থাকেন না। একজন অভিভাবক যদি অভিভাবক সভায় উপস্থিত না থাকে। তাহলে তার সন্তানের ভবিষ্যৎ কেমন হবে আপনারাই বলুন। বর্তমান সময়ে দেখা যায়, আমরা বেশির ভাগ অভিভাবক ছেলে মেয়েদের সঠিকভাবে সময় দিই না। নিজেরা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকি। আপনাকে অবশ্যই এই বদ অভ্যাস ছারতে করতে হবে।

খ) আপনার সন্তানকে পর্যাপ্ত পরিমাণ সময় দিন। তার বিদ্যালয়ে  কি পড়া দেওয়া আছে সেই পড়াগুলো নিয়ে আপনি আলোচনা করুন। সন্তানের হাতে স্মার্টফোন না দিয়ে বিকেল বেলায় তার সাথে ঘুরতে যান বা খেলাধুলা করুন। তাহলে দেখবেন আপনার সন্তানের মোবাইল আসক্তি অনেকটা কমে যাবে।

গ) এর পাশাপাশি আপনি সপ্তাহে একদিন বিদ্যালয়ে এসে আপনার বাচ্চার শ্রেণীর সকল  স্যারের সাথে কথা বলুন। যে আপনার সন্তান নিয়মিত বাড়ির কাজ করছে কিনা। সে নিয়মিত পড়ালেখা করে কিনা এটা জানা কিন্তু জরুরী। এই কারণে সপ্তাহে একদিন আপনি বিদ্যালয় এসে ঘুরে যান। তারপর সেই অনুযায়ী আপনার সন্তানকে পড়ার চাপ দিতে থাকবেন। তাহলে দেখবেন সে একদিন ভালো শিক্ষার্থী হয়ে যাবে। আর এক সময় নিজেই পড়ার জন্য সময় বের করতে শুরু করবে।

৮) উপস্ংহার 🔴
সময় স্বল্পতার কারণে বক্তব্য বাড়াতে পারছি না। আমার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য মোটামুটি এখানে শেষ করছি। বক্তব্যের শেষে আবারো বলতে চাই আপনার বাচ্চাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ সময় দিন এবং তার যদি মোবাইল ফোনের নেশা থাকে তাহলে সেটা বন্ধ করে দিন। তাহলে দেখবেন আপনার বাচ্চার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। আমার বক্তব্যের মধ্যে যদি অনিচ্ছা কৃত  কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে। তাহলে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আসসালামু আলাইকুম।”


কেমন লাগলো  কমেন্টে জানাবেন এবং ভালো লাগলে অন্যদের জানাতে শেয়ার করবেন । ধন্যবাদ।💜

MORE RELATED POSTS

বাংলা লিপির উদ্ভবের ইতিহাস ও বিকাশ সম্পর্কে আলোচনা

উপভাষা কাকে বলে? কয় প্রকার ও কি কি?? তাদের সীমানা নির্ধারণ কর।

ভাষা কাকে বলে? ভাষার বৈশিষ্ট্য ও অংশ

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য 1st semester 1 ও 2 paper suggetion 

পারিভাষিক শব্দ কি বা কাকে বলে | পারিভাষিক শব্দের প্রয়োজনীয়তা ও পরিভাষা তালিকা

বাগযন্ত্র কি? বাগযন্ত্রের বিভিন্ন অংশের পরিচয় দাও।

 NCF-2005 FOR PRIMARY TET

ধ্বনি পরিবর্তনের রীতি | dhoni poribortoner riti mcq|primary TET

ভারতীয় ভাষা পরিষদ l Bhartiya -arya Bhasha

জীবনস্মৃতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । rabindra nath tagor jibon sriti 

বরেন্দ্রী উপভাষার অঞ্চল বা এলাকা উল্লেখ করে এই উপভাষার রূপতাত্ত্বিক ও ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য লেখ।

বেকারত্ব কি? এর কারণ , দারিদ্র্যের সংজ্ঞা দাও,  কারণ , ব্যক্তিগত ও গােষ্ঠীগত জীবনে সংস্কৃতির প্রভাব , সংস্কৃতি কি

সামাজিক গোষ্ঠীর সংজ্ঞা , বৈশিষ্ট ও গুরুত্ব

প্রাথমিক গোষ্ঠী ও গৌণ গোষ্ঠীর পার্থক্য গুলো আলোচনা কর।

সামাজিকীকরণ কি l samajikikoron ki সামাজিকীকরণ কি l samajikikoron ki l সামাজিকীকরণে পরিবারের ভূমিকা 

prathomik ghostir songa o boisisto in bengali l প্রাথমিক গোষ্ঠীর ধারণা , বৈশিষ্ট ও গুরুত্ব।

সামাজিক পরিবর্তন কাকে বলেসামাজিক পরিবর্তনের উপাদানসমূহ আলোচনা করো।

সামাজিক স্তরবিন্যাস কী? সামাজিক স্তরবিন্যাসের ধরন কী কী?

সামাজিক পরিবর্তনের কারণসমূহ আলােচনা কর।

বর্ণপ্রথার বৈশিষ্ট্য কী? 'বর্ণ' ও ‘জাতি'-র ধারণার মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ কর।

বি এ দর্শন সাধারণ/প্রোগ্রাম সিলেবাস PDF ডাউনলোড I B.A PHILOSOPHY GENERAL/PROGRAMME SYLLABUS PDF DOWNLOAD

B.A. (Hons.) Bengali, Bachelor of Arts Honours in Bengali, Syllabu…

WB TET Preparation Tips 2023, Study Material

Philosophy Short Essay Questions | My Best Writer


Videos: -

Videosহাট্টিমাটিম টিম - Hattimatim Tim and more | Bengali Rhymes Collection -1

badam badam kacha badam

করোনা l coronavirus l সময়ে বিদ্যালয়ের অবস্থা । পার্ট-1

করোনা l coronavirus l সময়ে বিদ্যালয়ের অবস্থা । পার্ট -2

আমাদের পেজে আসার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ, এই ভাবে আমাদের পেজে আসুন আর সাহিত্য ও ভাষা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য ও তত্ব পেয়ে যান ।আমাদের সাথে যুক্ত হতে আমাদের ওয়েব সাইট ফলো করুন এবং নিয়মিত ভিসিট করুন। 

আপনার মতামত দিতে চাইলে ইমেল করুন:-
kajemshaikh0365@gmail.com
অথবা , ভিজিট করুন  আমাদের পেজ:-

Classes
Mock Tests
Crack Exams

Website Links click here
Terms & Conditions Privacy Policy
STUDY CARE 
Whatsapp Ask a Doubt

Studycare0365.blogspot.com
Jangipur,Murshidabad
West Bengal, 742213
Call +91 7908497874
Kajemshaikh0365@gmail.com
Site Links
 About Us
• Contact Us
• Disclaimer
• Privacy Policy
• Terms and Conditions
Top Exams
• SSC Exams
• UPSC Exams
• Teaching Jobs
• Railway Exams
• Banking Exams
• Defence Exams
Follow Us


Practice Sets Samanya Hindi - Hindi किताबें

 Practice Sets Samanya Hindi - Hindi किताबें
                

जैसे की आप सभी को मालूम है कि SSC GD -2023-24 का विज्ञापन  प्रकाशित हुई है। विज्ञापन के माध्यम से 84000+ पद आने कि सम्भाबनाएं है, इतने सारे पद वास्तव मैं रोजगार की  अपार सम्भाबनाएं लेकर आने वाले है। इतनी सारे वैकेंसी मैं अपना स्थान सुनिश्चित करने के लिए आप सभी को अभी से कठिन परिश्रम से मेहनत शुरु कर देनी चाहिए। क्योकि इस बात से भी इंकार नहीं किया जा सकता कि पिछले वर्षो मैं प्रतियोगी परीक्षाओं मैं प्रतिस्पर्धा का स्तर बहुत बड़ गया है।



इसी करी मैं STUDY CARE  आपके समक्ष SSC GD  की 4 कितावो (हिंदी,  जिके,  मैथ्स, रीजनिंग) प्रस्तुत करने जा रही है।  ए सारे कितावऑ के बिच हिंदी को मेरे स्वयं के मार्गदर्शन में बेहतरीन कंटेंट के साथ तैयारी की गई है।  इस कितावो में 60 + प्रैक्टिस सेट तैयारी की गई है। जो आपकी तैयारी को अलग दिशा प्रदान करेगी।


मेरा सपना है, टैलेंटेड विद्यार्थी के साथ साथ कमजोर से भी कमजोर विद्यार्थी को भी STUDY CARE PUBLICATION के इस किताब की माध्यम से SSC GD  तथा अन्य सेंट्रल परीक्षा मैं सफलता मिले, ताकि वह अपना सपना पुरा कर सके। गरीव मा वापके सपना भी पुरा हो।

काजेम शेख
हिन्दी एकस्पर्ट
STUDY CARE 


प्रकाशक:
ꜱᴛᴜᴅy ᴄᴀʀᴇ ᴩᴜʙʟɪᴄᴀᴛɪᴏɴ ᴩᴠᴛ.ʟᴛᴅ
(ᴀ ᴜɴɪᴛ ᴏꜰ ꜱᴛᴜᴅy ᴄᴀʀᴇ ᴄᴏᴀᴄʜɪɴɢ ᴄᴇɴᴛʀᴇ)
(प्रकाशक एवं वितरक)
काजेम शेख
जंगीपुर, रघुनाथगंज
मुर्शिदाबाद
पश्चिमबंगाल-742213
ᴇᴍᴀɪʟ: ᴋᴀᴊᴇᴍꜱʜᴀɪᴋʜ0365@ɢᴍᴀɪʟ.ᴄᴏᴍ
ᴍᴏʙɪʟᴇ:9046556268


नवीनतम संस्करण-10/OCTOBER /2023

ISBN -

सर्वाधिकार प्रकाशकधीन:
भारतीय कॉपी राइट के अंतर्गत इस पुस्तक में समाहित समस्त समग्री ( टाई टेल- डिजाइन, अंदर का मैटर आदि) के सर्वाधिकार 'STUDY CARE PUBLCATION ' के पास सुरक्षित है, इसके लिए कोई व्यक्ति/संस्था/समूह इस पुस्तक की पाठ्य सामग्री को आंशिक या पूर्ण रूप से तोर - मरोड़कर या किसी अन्य भाषा में प्रकाशित नही कर सकता।उल्लघन करने वाले पे कानूनी करवाई किये जाएंगे।

Download PDF - Click Here







Pm kisan


पीएम किसान 13वीं किस्त - केवाईसी पूरा करने की प्रक्रिया और रिलीज की तारीख यहां देखें

पीएम किसान 13वीं किस्त - केवाईसी पूरा करने की प्रक्रिया और रिलीज की तारीख यहां देखे

पीएम किसान एक केंद्रीय क्षेत्र की योजना है जो देश के सभी भूमिधारक किसानों के परिवारों को कृषि और संबद्ध गतिविधियों के साथ-साथ घरेलू जरूरतों से संबंधित विभिन्न इनपुट की खरीद के लिए उनकी वित्तीय जरूरतों को पूरा करने के लिए आय सहायता प्रदान करती है।

सरकार जनवरी से मार्च के बीच प्रधानमंत्री किसान सम्मान निधि (पीएम-किसान) योजना (योजना) की 13वीं किस्त जारी कर सकती है। हालांकि सरकार की ओर से इस बारे में कोई आधिकारिक घोषणा नहीं की गई है। पीएम-किसान योजना के तहत, सभी भूमिधारी किसानों के परिवारों को 6,000 रुपये प्रति वर्ष का वित्तीय लाभ प्रदान किया जाता है, जो 2,000 रुपये की तीन समान किस्तों में देय है

लाभार्थी किसान जो प्रधानमंत्री किसान सम्मान निधि (पीएम-किसान) योजना (स्कीम) की 13वीं किस्त प्राप्त करने के पात्र हैं, वे अपना ई-केवाईसी 10 फरवरी यानी आज तक अपडेट कर लें। पीएम किसान वेबसाइट के अनुसार, "ईकेवाईसी पीएमकिसान पंजीकृत किसानों के लिए अनिवार्य है। ओटीपी आधारित ईकेवाईसी पीएमकिसान पोर्टल पर उपलब्ध है। या बायोमेट्रिक आधारित ईकेवाईसी के लिए निकटतम सीएससी केंद्रों से संपर्क किया जा सकता है।"


पीएम किसान की ई-केवाईसी प्रक्रिया को ऑनलाइन कैसे पूरा करें?

चरण 1: पीएम किसान की आधिकारिक वेबसाइट पर जाएं और ईकेवाईसी विकल्प पर क्लिक करें

चरण 2: आधार कार्ड नंबर, कैप्चा कोड और आधार कार्ड से जुड़ा मोबाइल नंबर दर्ज करें

स्टेप 3: ओटीपी प्राप्त होने के बाद इसे दर्ज करें। ईकेवाईसी सफल सत्यापन पर पूरा हो जाएगा

यह भी पढ़ें | पीएम किसान योजना: लाभार्थियों की सूची में पात्र किसान का नाम शामिल नहीं होने पर क्या करें?

पीएम किसान की ई-केवाईसी प्रक्रिया को ऑफलाइन कैसे पूरा करें?

बायोमेट्रिक प्रमाणीकरण का उपयोग करके पीएम किसान eKYC को ऑफलाइन भी किया जा सकता है। यह नजदीकी कॉमन सर्विस सेंटर (CSC) पर जाकर किया जा सकता है।

13वीं किस्त कब जारी होगी?

सरकार द्वारा पीएम किसान की 13वीं किस्त होली से पहले जारी किए जाने की संभावना है। हालांकि सरकार की ओर से इस बारे में कोई आधिकारिक घोषणा नहीं की गई है। पीएम-किसान योजना के तहत, सभी भूमिधारी किसानों के परिवारों को 6,000 रुपये प्रति वर्ष का वित्तीय लाभ प्रदान किया जाता है, जो 2,000 रुपये की तीन समान किस्तों में देय है।

पीएम किसान एक केंद्रीय क्षेत्र की योजना  है जो देश के सभी भूमिधारक किसानों के परिवारों को कृषि और संबद्ध गतिविधियों के साथ-साथ घरेलू जरूरतों से संबंधित विभिन्न इनपुट की खरीद के लिए उनकी वित्तीय जरूरतों को पूरा करने के लिए आय सहायता प्रदान करती है। योजना के तहत, लक्षित लाभार्थियों को लाभ के हस्तांतरण की पूरी वित्तीय देनदारी सरकार द्वारा वहन की जाती है।

किसानोंPM-KISANPradhan Mantri Kisan Samman Nidhi

PM Kisan

 


PM Kisan: Is the money received in PM Kisan scheme going to increase? Agriculture Minister Narendra Tomar replied

STUDYCARE(KAJEM SHAIKH)

 

PM Kisan: Is the money received in PM Kisan scheme going to increase?  Agriculture Minister Narendra Tomar replied

   

PM KISAN Scheme was launched in February 2019. Although it was implemented from December 2018. Under the scheme, eligible farmers are provided a financial benefit of Rs 6,000 per year in three equal installments of Rs 2,000 every four months. This amount is directly transferred to the account of the beneficiary farmers.

 

PM Kisan Scheme: Many schemes are being run in the country by the Central Government. In these schemes, efforts are made to provide benefits to different sections of the people of the country. At the same time, many schemes are run by the government for the farmers as well. PM Kisan Samman Nidhi is also included in this. Under this scheme, financial assistance of Rs 6000 is provided to the farmer families by the government in a year. However, now there are discussions that the money received under PM Kisan Samman Nidhi may increase.

 

PM-KISAN scheme was launched in February 2019. Although it was implemented from December 2018. Under the scheme, eligible farmers are provided a financial benefit of Rs 6,000 per year in three equal installments of Rs 2,000 every four months. This amount is directly transferred to the account of the beneficiary farmers.

 

 

Farmer Scheme: Good news for farmers! Invest Rs 50 in this scheme and get a return of 35 lakhs, apply like this On the issue of increasing the amount received under the PM Kisan Samman Nidhi, the government has recently informed the Parliament that at present the amount of Rs 6,000 per beneficiary under the Pradhan Mantri Kisan Samman Nidhi (PM-Kisan) will be increased. There is no proposal to increase. Agriculture Minister Narendra Singh Tomar said in his written reply in the Lok Sabha, 'At present there is no such proposal.'

 

 

PM Kisan

Tomar said that till January 30 this year, more than Rs 2.24 lakh crore has been disbursed as income support to eligible farmers through various installments to take up agriculture and allied activities as well as to meet domestic needs . Explain that PM-KISAN is a central sector scheme with 100 percent funding from the central government. The State Government and Union Territory Administration identifies the farmer families who are eligible for assistance as per the guidelines of the scheme.

OFFICIAL WEBSITE:- CLICK HERE

MORE INFO:- CLICK HERE

PINTEREST:-CLICK HERE

LINKEDIN:-CLICK HERE

INSTAGRAM:-CLICK HERE

India's first choice STUDYCARE0365.BLOGSPOT.COM - Now no one else is needed  

 

 

মুখ্যমন্ত্রী, সরকারের সমালোচনা করায় অন্ধ্র পুলিশ কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে

পুলিশ কমিশনার বলেনকনস্টেবল মুখ্যমন্ত্রী জগন রেড্ডির বিরুদ্ধে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেছেন

পুলিশ কমিশনার বলেন, কনস্টেবল মুখ্যমন্ত্রী জগন রেড্ডির বিরুদ্ধে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেছেন।

একজন সশস্ত্র রিজার্ভ (এআর) পুলিশ কনস্টেবল, যিনি জাতীয় মহাসড়কে একটি টহল গাড়ি চালিয়েছিলেন, শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইএস জগন মোহন রেড্ডি এবং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অপমানজনক মন্তব্য করার অভিযোগে সাসপেন্ড এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

কাঁথির পুলিশ কমিশনার রানা টাটা শুক্রবার বলেছেন, তন্নেরু ভেঙ্কটেশ্বরলু নামে পরিচিত কনস্টেবল এনটিআর জেলার গৌরভরাম গ্রামের কাছে একটি পেট্রোল পাম্পে এক গ্রামবাসীর সাথে কথোপকথনের সময় মুখ্যমন্ত্রী, তার পরিবার এবং সরকারের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন। ১ জানুয়ারি।


"তিনি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেছেন এবং সরকার, মুখ্যমন্ত্রী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে অনুপযুক্ত মন্তব্য করেছেন। তাছাড়া, তিনি এমন শব্দ ব্যবহার করেছেন যা সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণা ও শত্রুতা সৃষ্টি করতে পারে," তিনি যোগ করেছেন।



কথিত ঘটনার ভিডিও ধারণকারী এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে চিলাকাল্লু পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে।


কমিশনার বলেন, "একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মচারীর পক্ষে এমনভাবে কথা বলা অপরাধ যা দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করে।"


চিল্লাকাল্লু পুলিশ কনস্টেবলকে রিমান্ডে নিয়ে যাওয়ার পরে অতিরিক্ত বিচার বিভাগীয় প্রথম শ্রেণীর আদালত, জাগগাইয়াপেট তাকে 14 দিনের পুলিশ হেফাজতে সাজা দেয়।


"বিজয়ওয়াড়া সিটি পুলিশ কমিশনার কর্তৃক গৃহীত শাস্তিমূলক পদক্ষেপের অংশ হিসাবে উক্ত কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। কমিশনার জানিয়েছিলেন যে একজন দায়িত্বশীল চাকরি থাকা সত্ত্বেও যে কেউ সমাজে ঘৃণা ছড়াচ্ছে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে," পুলিশের একটি অফিসিয়াল বিবৃতি।

FOR MORE

উপভাষা কাকে বলে? কয় প্রকার ও কি কি?? তাদের সীমানা নির্ধারণ কর।

ভাষা কাকে বলে? ভাষার বৈশিষ্ট্য ও অংশ

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য 1st semester 1 ও 2 paper suggetion 

পারিভাষিক শব্দ কি বা কাকে বলে | পারিভাষিক শব্দের প্রয়োজনীয়তা ও পরিভাষা তালিকা

 NCF-2005 FOR PRIMARY TET

ধ্বনি পরিবর্তনের রীতি | dhoni poribortoner riti mcq|primary TET

ভারতীয় ভাষা পরিষদ l Bhartiya -arya Bhasha

জীবনস্মৃতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । rabindra nath tagor jibon sriti 

বরেন্দ্রী উপভাষার অঞ্চল বা এলাকা উল্লেখ করে এই উপভাষার রূপতাত্ত্বিক ও ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য লেখ।

বেকারত্ব কি? এর কারণ , দারিদ্র্যের সংজ্ঞা দাও,  কারণ , ব্যক্তিগত ও গােষ্ঠীগত জীবনে সংস্কৃতির প্রভাব , সংস্কৃতি কি

সামাজিক গোষ্ঠীর সংজ্ঞা , বৈশিষ্ট ও গুরুত্ব

প্রাথমিক গোষ্ঠী ও গৌণ গোষ্ঠীর পার্থক্য গুলো আলোচনা কর।

সামাজিকীকরণ কি l samajikikoron ki সামাজিকীকরণ কি l samajikikoron ki l সামাজিকীকরণে পরিবারের ভূমিকা 

prathomik ghostir songa o boisisto in bengali l প্রাথমিক গোষ্ঠীর ধারণা , বৈশিষ্ট ও গুরুত্ব।

সামাজিক পরিবর্তন কাকে বলেসামাজিক পরিবর্তনের উপাদানসমূহ আলোচনা করো।

B.A. (Hons.) Bengali, Bachelor of Arts Honours in Bengali, Syllabu…

WB TET Preparation Tips 2023, Study Material

Philosophy Short Essay Questions | My Best Writer


Videos: -

Videosহাট্টিমাটিম টিম - Hattimatim Tim and more | Bengali Rhymes Collection -1

badam badam kacha badam

করোনা l coronavirus l সময়ে বিদ্যালয়ের অবস্থা । পার্ট-1

করোনা l coronavirus l সময়ে বিদ্যালয়ের অবস্থা । পার্ট -2

আমাদের পেজে আসার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ, এই ভাবে আমাদের পেজে আসুন আর সাহিত্য ও ভাষা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য ও তত্ব পেয়ে যান ।আমাদের সাথে যুক্ত হতে আমাদের ওয়েব সাইট ফলো করুন এবং নিয়মিত ভিসিট করুন। 

আপনার মতামত দিতে চাইলে ইমেল করুন:-
kajemshaikh0365@gmail.com
অথবা , ভিজিট করুন  আমাদের পেজ:-

Classes
Mock Tests
Crack Exams

Website Links click here
Terms & Conditions Privacy Policy
STUDY CARE 
Whatsapp Ask a DoubT

Featured Post

MTC active group for COMPITATIVE EXAMS

  MTC -এর বিভিন্ন এক্টিভ গ্ৰুপ। নিজেকে প্রস্তুত করতে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন। অর্থাৎ এক জায়গায় সব পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার সুন্দর ...