Skip to main content

Posts

Showing posts with the label আমার কবিতা

শিক্ষক দিবসের কবিতা/ happy teachers day

  তুমি শিক্ষক  তুমি শিক্ষক , মোদের গুরু করেছো মোদের, শিক্ষার শুরু একদিন তুমি অচেনা ছিলে  অচেনা ছিলে সবার কাছে। তারপর,  দেখলাম প্রথম , পড়ার ঘরে  আলাপ হলো, সবার সাথে  পরিচয় হলো, তোমার তরে সবার সাথে , পড়ার ঘরে। আপসোস তো হয় নি পাছে।। তারপর, শিখালে তুমি, শিখলাম মোরা অ আ, ক খ চ ছ, ট ঠ। ভালো হলাম তোমার কাছে।। তারপর, শুরু হলো, পড়া লেখা  হলাম মোরা, সবার সখা, স্বপ্ন তুমি মোদের দেখালে মানুষ হবো , মনে জাগালে। পূরণ হবে যে, সব স্বপ্ন আছে ।। তারপর, সেই স্বপ্ন নিয়ে, এগিয়ে গেলাম মানুষ রুপী, মানুষ হলাম, ভাবনা চিন্তা, গুলো সবার জেগে আছে মনের ভিতর। সেই চিন্তা গুলো মনের ভিতর নাচে।। তারপর, লক্ষ্যে এবার পৌঁছে যাবো তোমার আশীর্বাদে  মন টাকে শক্ত করে সাফল্যকে নিবো কেরে। আপনার কথা মনের মধ্যে বাজে।।  প্রণাম জানায় চরনে তোমার শিক্ষক দিবসের সাজে।। Happy Teacher's দায় ----কাজেম সেখ Best Motivational Videos Facebook Page- Click Here Join us with Instagram- Click Here Join our Telegram channel- Click here Subscribe Our youtube channel- Click Here FOR MORE RELATIVE ✅Ssc GD ...

তেঁতুল গাছ

তেঁতুল গাছ তেঁতুল গাছ তেতুঁল গাছ দেখতে কত সুন্দর বসলে পড়ে গাছের তলে থাকে না কোনো অন্তর। কলেজের বাগানেতে  রয়েছে একটা তেঁতুল গাছ প্রেমিক যুগলের কথার মাঝে আসতে দেই না কোনো আঁচ। এমনি একদিন বসেছিল তারা তেঁতুল তলে মনের কথা বলছিল তারা একেবারে হলে হলে। তেঁতুল দেখলেই মুখে আসে টক মিষ্টি জল তেঁতুল খাবার জন্য তখন মন করে কোলাহল। তেঁতুল খাবার জন্য যখন  ছুড়লাম সবাই ঢিল আমার কাছে চলে এলো  একটি মেয়ের দিল। তেঁতুল কেমন খেতে যেত তেঁতুল বড়ই টক খেলে তেঁতুল ছেলে মেয়েরা টিপতে পারে আঁখ। তেঁতুল খাবার ইচ্ছা যায় না করা বস যখন চলে মেয়েদের  সাত - আট - নয় - দশ।। ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ তেঁতুল নিয়ে অনেকেই এর আগে অনেক অনেক লিখেছেন এবং লিখে যাচ্ছেন। আমারও তাই তেঁতুল নিয়ে মনে ইচ্ছা জাগল লেখার। তাই এদিক সেদিক থেকে কিছুটা অনুপ্রানীত হয়ে লিখেই ফেললাম । আসা করি আপনাদের ভালো লাগবে এবং কাজেও আসবে। ধন্যবাদ। তেঁতুল নামটা হয়তো সবারই জানা। তেঁতুল খান নি এমন লোক পাওয়া হয়তো যাবে না। আসলে এই ফলটা একটি বিখ্যাত ফল , সে এতটাই বিখ্যাত যে অনেকেরই জানার মধ্যে, খাওয়া মধ্যে আছে। তেঁতুল খেতে আমিও অবশ্য বেশ ভালো...

শীতের মরশুম

শীত পড়েছে হলুদ গাদায় শীত পড়েছে মাঠে হিমেল হাওয়া বইছে হুহু লোক নেই তো হাটে। খেজুর রসের মিষ্টি সুভাষ নলেন গুড়ের ঘ্রাণ মৌমাছিরা উড়ছে  ভৌ ভৌ মন করে আনচান। সবুজ সবুজ গাছের পাতা রৌদ্রে করে ঝিকমিক বন ভোজনে হারিয়ে গেলে জমবেই ঠিক!ঠিক! শীত পরেছে সবুজ ঘাসে শীত পড়েছে গাছে পূর্ণিমার রাত তাই তো নিঝুম কেউ নেই তো কাছে। ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ এর আগে আমার শীত নিয়ে লেখা কবিতা গুলো আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে। তাই শীত নিয়ে আরো একটা কবিতা লিখে ফেললাম। আসা করি এটাও সকলকে ভালো লাগবে । শীত নিয়ে অন্য কবিতা দেখতে ক্লিক করুন। শীতের সময় কাকে ভালো না এমন লোক পাওয়া খুব মুশকিল। তার মানে সবাইকেই ভালো লাগে । সত্যি  শীতের দিন ও রাত যেন কিভাবে কেটে যায় বুঝতেই পারা যায় না। তবে খুব ভালোই লাগে।  যখন ভোর হয় উঠে দেখি গাছ, ঘাসে, ফুলের কচি কচি ডগায় শীত পড়েছে । আর সেই দৃশ্য দেখে মনটা ভরে যায়। হ্যাঁ তবে একটা বিষয় হচ্ছে সে সময় হাটে লোক নেই বললেই চলে । শীতের সময় একটা ভালো খাবার পাওয়া যায়। আর সেটা হলো কি যে খেজুর রস, নলেন গুড়।  এই গুড় দিয়ে ভালো ভালো মিষ্টি খাবার বানান বাংলার মানুষরা। যেমন বলা...

গাছ

  🌳 গাছ আমাদের পরম বন্ধু তাকে হতে দিবো না কখনই খন্ড, ওই দেখো একটি গাছ --- শত শত প্রাণ বাঁচায় আজ, গাছ আমাদের দেয় প্রাণ দায়ী অক্সিজেন কেড়ে নেই বিষাক্ত গ্যাস যতেন, গাছ আমাদের দেয় মিষ্টি মধু বাতাস, দিবো না লাগতে তাকে কখনোই আঁচ। গাছ আমাদের পরম বন্ধু তাকে হতে দিবো না কখনই খন্ড, গাছ হয় না কখনোই করো কাল তবুও  তাকে অনেকেই করে কেটে ফলাফল, গাছ হয় বন্যার একমাত্র ত্রাণ বাঁচায় শত শত মানুষের প্রাণ। গাছ আমাদের পরম বন্ধু হতে দিবো না তাকে কখনোই খন্ড, গাছ আমরা করবো এবার রক্ষা হবো এবার সকলেই গাছের সখা, গাছ রক্ষার জন্য সরকার করলো জারি আইন রাস্তার ধারে লাগলো শত শত সেগুন আর পাইন। গাছ আমাদের পরম বন্ধু হতে দিবো না তাকে কখনোই কারো হাতে খন্ড।। ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ গাছ নিয়ে এর আগে অনেকেই অনেক কবিতা লিখেছেন বা আজ ও লিখছেন।  আমিও তাই গাছ নিয়ে একটা কবিতা লিখে ফেললাম । জানি না আপনাদের কেমন লাগবে, তবে এই টুকু আমি আশা করতে পারি এর আগেও অনেক কবিতা অনেকেই পছন্দ করেছেন বা করেছে। তাই এই কবিতাটিও অনেকেই দেখবে পড়বে পছন্দ করবে। এটিও আমার একটি ছোট কবিতা। তবে আমার লেখা ছোটো হলেও তার ভিতরে অনেক ভাব কিংবা...

ইচ্ছে ডানা

আমার কবিতা মাঝে মাঝে ভাবি মনে                                  যদি হতাম পাখি, ঘন জঙ্গলে যেতাম উড়ে                   পেতাম লক্ষ কোটি সাথী। মাঝে মাঝে ভাবি মনে                                  যদি হতাম বৃষ্টি, আকাশ পথ ঘুরে ঘুরে      হতাম মেঘ, করতাম জলের সৃষ্টি। মাঝে মাঝে ভাবি মনে                              যদি হতাম বাতাস, হুহু করে যেতাম ছুটে             অবশ্য, করতাম না সর্বনাশ। মাঝে মাঝে ভাবি মনে                        যদি হতাম সিংহ, বাঘ, যেতাম আমি জঙ্গলে                 করতাম গিয়ে একাই রাজ। ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ ইচ্ছা! এই শব্দটা খুব ছোটো , মাত্র দুই অক্ষরের হল...

ঈশ্বরের প্রতি

  মনের মাঝে আছো তুমি জানি আমি, সব কিছুই জানি। তুমি আমার জীবন দাতা, তুমি আমার প্রাণ দাও আমাকে একবার তুমি, করিতে প্রণাম। তুমি হও কত দয়াবান আমি হই শত অপমান। আছো তুমি আগে সবার আমি থাকতে চাই তারপর। তুমি থাকো সবার উপর থাকি আমি সবার পর। ও আমার জীবনের মালিক আর কত হবো আমি অমানবিক। তুমি করো সকলেই মাপ যারা করে শত শত পাপ। তুমিই সবার বিধাতা, তুমিই দেখাও পথ সকলকে সৎ পথ দেখাও সকলকে সৎ পথ দেখাও। ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ ঈশ্বরের দেখা কে না চাই? এর উত্তর সকলেরই জানা। ঈশ্বরের দেখা চাই না এমন মানুষের দেখা পাওয়া ভার হবে। তাই কখনো কখনো আমরা নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ঈশ্বরের অস্তিত্ব খুঁজে নিয়ে থাকি, যদিও সেটা বাস্তবে কতটা সত্যি একমাত্র তিনিই জানেন। আমাদের মনে ঈশ্বরের উপস্থিতি থাকাটা স্বাভাবিক ভাবেই মনে হয়। কারণ জগৎ সৃষ্টি থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের ভিতরে ঈশ্বরের অশেষ মহিমা। তাই তাঁর প্রতি একটা বিশ্বাস থেকেই যায়। এটাকে কেউ মানুন আর নাইবা মানুন।  ঈশ্বর মনের মাঝে আসে - এটা একটা বিশ্বাস থেকে উঠে আসে । ঈশ্বর সব কিছুই জানেন। কারণ তিনি সব দেখে আর শুনে আর হিসাব করে রাখে । তিনি আমাদের জীবন দান করেছেন, তিনি আমাদের প...

মনে ভাবি

নদীর স্রোত বয়ে চলে               সো সো করে,                মিলবে বলে          মোহনার সাথে।   আমার মন ছুটে চলে       ধুরুক ধুরুক করে, কখন গিয়ে পৌঁছাবে               তার অন্তরে।                                                নদীর স্রোত মিলবে যখন মোহনায়                                 আমি খুঁজে পাবো তাকে কলেজের বারান্দায়।                                                                         দিলাম আমি কথা                ...

মানুষ

  মানুষ নামটা শুনতে ভালো মিষ্টি সমস্ত বিপদ করে এরাই সৃষ্টি।                                              বাঘ কখনো বাঘের মাংস খায় না                                                          সুযোগ পেলে মানুষ কাউকে ছাড়ে না।। ভালো খারাপ দুজনেই বাঁচে নিজের স্বার্থে স্বেচ্ছায় করে না কেউ অনুদান পরার্থে।                                                       যাকে আশ্রয় দিলে মাথায় উঠে বসে                                                             ...

প্রকৃতি

  প্রকৃতি আমার স্বর্গ , আমার প্রাণ যা চাই কেবল সকল কল্যাণ , প্রকৃতির মধ্যে বাস করে যে মানুষ সে কখনোই করে না স্বজনে ফোঁস।   প্রকৃতি আমার স্বর্গ , আমার প্রাণ যাকে করে মানুষ সব উৎসবের ত্রাণ , মানুষে মানুষে বাঁধে যখন বিভেদ প্রকৃতি করে তাদের চরম নির্দেশ।   প্রকৃতি আমার স্বর্গ , আমার প্রাণ কেউ করো না একে কখনো অপমান , যাতে গরীব বাঁধে সুখের বাসা সে দেয় না হতে তাদের সর্বনাশা।   প্রকৃতি আমার স্বর্গ , আমার প্রাণ যেখানে বাস করলে থাকেনা কোনো ব্যাবধান , বসবাস করে মানুষ সুখের সাথে কেউ পরে না কখনো বিপদের ফাঁসে।   "সত্যিই ....... প্রকৃতি আমাদের স্বর্গ , আমাদের প্রাণ।"     ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ প্রকৃতি ! এই প্রকৃতি শব্দের দ্বারা কেবল গাছ পালা কেই বোঝায় না। সমগ্র বিশ্বকে বোঝায়। এই প্রকৃতি আমাদের আসল জননী। যার ছত্রছায়ায় আমাদের জীবন , আমাদের মরণ , আমাদের বিশ্ব , আমাদের ভালো সময় , আমাদের মন্দ সময় , আমাদের সকল বিষয় বয়ে চলেছে।   আর এই সামগ্রিক বিষয় টা বোঝা...